
পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু পর্বত মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় দাঁড়ানো সহজ কোনো স্বপ্ন নয়। সেখানে পৌঁছতে হলে শুধু শারীরিক শক্তি থাকলেই হয় না; প্রয়োজন মানসিক দৃঢ়তা, দীর্ঘ প্রশিক্ষণ, প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিজের ওপর বিশ্বাস রাখার সাহস।
ভারতের একজন নারী যখন প্রথমবার সেই চূড়ায় পা রাখেন, তখন সেটি শুধু একটি ব্যক্তিগত সাফল্য ছিল না। ভারতীয় পর্বতারোহণের ইতিহাসে সেটি হয়ে ওঠে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।
তিনি বছেন্দ্রী পাল।
১৯৮৪ সালের ২৩ মে তিনি মাউন্ট এভারেস্টের শীর্ষে পৌঁছে প্রথম ভারতীয় নারী হিসেবে ইতিহাস তৈরি করেন। কিন্তু তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়তো সেই চূড়ায় ওঠার পরেই শুরু হয়েছিল। কারণ এভারেস্ট জয়কে তিনি নিজের জীবনের শেষ সাফল্য হিসেবে দেখেননি। বরং সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পরবর্তী প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পথ বেছে নিয়েছিলেন।
পাহাড়ঘেরা শৈশব
বছেন্দ্রী পালের জন্ম ১৯৫৪ সালের ২৪ মে, উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশী জেলার নাকুরি গ্রামে। পাহাড়ের কাছেই তাঁর বেড়ে ওঠা।
পাহাড় তাঁর কাছে শুধু দূরের কোনো দৃশ্য ছিল না। শৈশব থেকেই পাহাড়ি পরিবেশ তাঁর জীবনের অংশ।
কিন্তু ছোট শহর বা গ্রামের একটি মেয়ের সামনে পর্বতারোহী হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ তখন খুব সীমিত ছিল। বিশেষ করে মেয়েদের জন্য অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসকে পেশা হিসেবে ভাবা আরও কঠিন ছিল।
বছেন্দ্রী পড়াশোনাকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি গাড়ওয়াল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তী সময়ে নিউজিল্যান্ডের Sir Edmund Hillary Outdoor Pursuit Centre-এ Outdoor Educators’ Course এবং যুক্তরাজ্যের Outward Bound Trust-এ নেতৃত্ব উন্নয়নের প্রশিক্ষণ নেন।
এই শিক্ষাই পরবর্তীকালে তাঁর পর্বতারোহণ ও প্রশিক্ষকজীবনের ভিত্তি তৈরি করে।
পাহাড়ের দিকে প্রথম বড় পদক্ষেপ
বছেন্দ্রী পাল বুঝেছিলেন, শুধু পাহাড় ভালোবাসলেই পর্বতারোহী হওয়া যায় না। পাহাড়ে ওঠার জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ দরকার।
পর্বতারোহণের প্রযুক্তি, দড়ির ব্যবহার, উচ্চতায় শরীরের প্রতিক্রিয়া, আবহাওয়া বোঝা, দলগত কাজ, জরুরি পরিস্থিতি সামলানো—প্রতিটি বিষয়েই তাঁকে দক্ষতা অর্জন করতে হয়।
ধীরে ধীরে তিনি জাতীয় স্তরের পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত হন।
এই সময়েই তাঁর দক্ষতা নজরে আসে এবং ১৯৮৪ সালের এভারেস্ট অভিযানে তাঁকে নির্বাচিত করা হয়।
Everest ’84: ঐতিহাসিক অভিযান
১৯৮৪ সালে ভারত মাউন্ট এভারেস্ট অভিযানের জন্য একটি দল তৈরি করে। সেই দলে ছিলেন ছয়জন নারী এবং এগারোজন পুরুষ।
এটি ছিল অত্যন্ত কঠিন অভিযান।
এভারেস্টের উচ্চতা যত বাড়ে, তত কমে আসে অক্সিজেনের পরিমাণ। তাপমাত্রা অত্যন্ত কম, আবহাওয়া দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং তুষার ও বরফের ওপর চলার প্রতিটি পদক্ষেপে বিপদের সম্ভাবনা থাকে।
অভিযানের সময় একটি তুষারধসের ঘটনাও ঘটে। দলের সদস্যদের সামনে তখন বড় চ্যালেঞ্জ ছিল—অভিযান চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে কি না।
বছেন্দ্রী পিছিয়ে যাননি।
১৯৮৪ সালের ২৩ মে, দুপুর ১টা ৭ মিনিটে তিনি এভারেস্টের শীর্ষে পৌঁছন। ভারতীয় তেরঙ্গা সেখানে উত্তোলিত হয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সেই ঐতিহাসিক সাফল্যের মাধ্যমে তিনি প্রথম ভারতীয় নারী হিসেবে এভারেস্টের শীর্ষে পৌঁছন।
সেই মুহূর্তে তিনি শুধু একটি পর্বতের উচ্চতা অতিক্রম করেননি—তিনি ভারতীয় নারীদের অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসে অংশগ্রহণের ইতিহাসেও একটি নতুন অধ্যায় তৈরি করেছিলেন।
এভারেস্টের পরে কী?
অনেকের কাছে এভারেস্ট জয়ই জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য হতে পারত।
কিন্তু বছেন্দ্রী পাল অন্য পথ বেছে নিলেন।
এভারেস্ট থেকে ফিরে তিনি বুঝেছিলেন, তাঁর অর্জিত অভিজ্ঞতা যদি শুধু তাঁর নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে তার পরিধি খুব ছোট হয়ে যাবে।
তাই তিনি প্রশিক্ষণ ও নেতৃত্ব উন্নয়নের কাজে মন দেন।
টাটা স্টিল তাঁকে ১৯৮৩ সালের ডিসেম্বরেই নিয়োগ করেছিল এবং এভারেস্ট অভিযানের পরে তাঁর জন্য একটি নতুন দায়িত্বের ক্ষেত্র তৈরি হয়। পরবর্তীতে সেই উদ্যোগ থেকেই Tata Youth Adventure Centre এবং পরে Tata Steel Adventure Foundation বা TSAF-এর বিকাশ ঘটে।
এখান থেকেই তাঁর জীবনের দ্বিতীয় বড় অভিযান শুরু হয়।
অন্যদের পাহাড়ে ওঠার পথ তৈরি
বছেন্দ্রী পাল শুধু নিজে পাহাড়ে ওঠেননি; তিনি অন্যদেরও পাহাড়ে ওঠার জন্য তৈরি করেছেন।
বিশেষ করে তরুণ ও নারীদের মধ্যে অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসের প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর কাজে তিনি দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন।
তাঁর নেতৃত্বে বিভিন্ন অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ১৯৯৩ সালে তিনি Indo-Nepalese Women’s Everest Expedition-এর নেতৃত্ব দেন। সেই অভিযানে একাধিক নারী এভারেস্টের শীর্ষে পৌঁছন এবং দলটি একাধিক রেকর্ড তৈরি করে।
এখানে তাঁর ভূমিকা শুধু একজন অভিজ্ঞ পর্বতারোহীর ছিল না। তিনি ছিলেন পরিকল্পনাকারী, প্রশিক্ষক এবং দলনেতা।
একটি কঠিন অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া মানে শুধু নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নয়। দলের প্রতিটি সদস্যের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা, আবহাওয়া, সরঞ্জাম, রুট এবং জরুরি পরিস্থিতি—সবকিছুর দিকে নজর রাখতে হয়।
এই অভিজ্ঞতা থেকেই তাঁর নেতৃত্বের দক্ষতা আরও বিকশিত হয়।
পাহাড় থেকে নদী, আবার হিমালয়
বছেন্দ্রী পালের অভিযান শুধু এভারেস্টে থেমে থাকেনি।
১৯৯৪ সালে তিনি একদল নারীকে নিয়ে গঙ্গায় দীর্ঘ র্যাফটিং অভিযানের নেতৃত্ব দেন। হরিদ্বার থেকে কলকাতা পর্যন্ত এই অভিযান ছিল নারী অংশগ্রহণের দিক থেকে একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ।
১৯৯৭ সালে তিনি প্রথম সফল Trans-Himalayan Expedition-এর নেতৃত্ব দেন, যেখানে হিমালয়ের দীর্ঘ পথ অতিক্রম করা হয়।
অর্থাৎ পাহাড় জয় তাঁর কাছে একটি নির্দিষ্ট শিখরে পৌঁছানোর বিষয় ছিল না।
অ্যাডভেঞ্চার তাঁর কাছে ছিল শেখার একটি পদ্ধতি—নিজেকে চেনা, দলগতভাবে কাজ করা এবং কঠিন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া।
নেতৃত্ব শেখানোর নতুন পদ্ধতি
বছেন্দ্রী পাল পরবর্তী সময়ে অ্যাডভেঞ্চারকে নেতৃত্ব প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত করেন।
Tata Steel Adventure Foundation-এর বিভিন্ন কর্মসূচিতে পাহাড়ে হাঁটা, ট্রেকিং, র্যাফটিং এবং অন্যান্য অ্যাডভেঞ্চার কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণ, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের নেতৃত্বের দক্ষতা তৈরি করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এই ধারণার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল—নেতৃত্ব শুধু বই পড়ে শেখা যায় না।
কখনও পাহাড়ের কঠিন পথে হাঁটতে হাঁটতে একজন মানুষকে নিজের সীমাবদ্ধতা বুঝতে হয়।
কখনও দলের অন্য সদস্য সমস্যায় পড়লে নিজের স্বাচ্ছন্দ্য ছেড়ে তাকে সাহায্য করতে হয়।
কখনও আবহাওয়ার কারণে পরিকল্পনা বদলাতে হয়।
এই বাস্তব অভিজ্ঞতাগুলিই নেতৃত্বের শিক্ষা হয়ে ওঠে।
নারীদের জন্য বিশেষ বার্তা
বছেন্দ্রী পালের নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা তাঁকে নারীদের অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে আগ্রহী করে তোলে।
তিনি বহু নারীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন এবং তাঁদের অভিযানে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করেছেন।
তাঁর নেতৃত্বে প্রশিক্ষণ নেওয়া বা অভিযানে অংশ নেওয়া অনেক নারী পরবর্তীকালে নিজেদের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেন।
এমনকি অরুণিমা সিনহার এভারেস্ট অভিযানের সঙ্গেও বছেন্দ্রী পালের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শের সম্পর্ক ছিল। Tata Steel-এর তথ্য অনুযায়ী, তিনি অরুণিমার প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
এখানে একজন সফল মানুষের আরেকটি বড় ভূমিকা দেখা যায়—নিজের সাফল্যের দরজা দিয়ে অন্যদেরও প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়া।
পুরস্কার ও স্বীকৃতি
এভারেস্ট জয়ের পর বছেন্দ্রী পাল একাধিক সম্মান পেয়েছেন।
তিনি পদ্মশ্রী, অর্জুন পুরস্কার, Tenzing Norgay National Adventure Award এবং পরবর্তীতে পদ্মভূষণ-সহ বিভিন্ন সম্মানে ভূষিত হন।
১৯৯০ সালে তাঁর এভারেস্ট সাফল্য Guinness Book of World Records-এও স্থান পায় বলে Tata Steel-এর জীবনীতে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে পুরস্কারের তালিকার চেয়েও তাঁর দীর্ঘ প্রশিক্ষকজীবন তাঁর উত্তরাধিকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এভারেস্টের চেয়েও বড় কাজ
বছেন্দ্রী পাল নিজেই পরবর্তী জীবনে বলেছেন, এভারেস্টে ওঠা গুরুত্বপূর্ণ হলেও তার পরে অন্যদের নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতাও তাঁর কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।
এই দৃষ্টিভঙ্গি তাঁর জীবনকে অন্যদের থেকে আলাদা করে।
একজন মানুষ যখন কোনো অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেন, তখন সেই সাফল্যকে নিজের পরিচয়ের শেষ কথা হিসেবে ধরে রাখা সহজ।
কিন্তু বছেন্দ্রী সেই সাফল্যকে একটি নতুন দায়িত্বে পরিণত করেছেন।
তিনি পাহাড়ে ওঠার অভিজ্ঞতাকে নেতৃত্ব প্রশিক্ষণে ব্যবহার করেছেন। তরুণদের সামনে নতুন ধরনের সুযোগ তৈরি করেছেন। বিশেষ করে নারীদের অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসে অংশ নেওয়ার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কাজ করেছেন।
বয়সও থামাতে পারেনি
অ্যাডভেঞ্চারের প্রতি তাঁর আগ্রহ বয়স বাড়ার সঙ্গে শেষ হয়ে যায়নি।
২০২২ সালে তিনি ৫০ বছরের বেশি বয়সি নারীদের নিয়ে Fit@50+ Women’s Trans-Himalayan Expedition-এর নেতৃত্ব দেন। এই দীর্ঘ অভিযানের উদ্দেশ্যের মধ্যে ছিল বয়স বাড়লেও সক্রিয় থাকা এবং নারীদের নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণে উৎসাহিত করা।
অর্থাৎ ১৯৮৪ সালের এভারেস্টের পর প্রায় চার দশক পেরিয়েও তাঁর অভিযাত্রা থামেনি।
শুধু পাহাড়ের উচ্চতা বদলেছে; বদলেছে অভিযানের উদ্দেশ্য।
একজন মানুষের সাফল্য থেকে বহু মানুষের পথচলা
বছেন্দ্রী পালের জীবনকে শুধু ‘প্রথম ভারতীয় নারী এভারেস্টজয়ী’ পরিচয়ে সীমাবদ্ধ করলে তাঁর পরবর্তী চার দশকের কাজের একটি বড় অংশ বাদ পড়ে যায়।
তাঁর আসল উত্তরাধিকার তৈরি হয়েছে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে।
তিনি দেখিয়েছেন, একজন মানুষের সাফল্য তখনই আরও বিস্তৃত অর্থ পায়, যখন সেই অভিজ্ঞতা অন্য মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করে।
একজন তরুণ হয়তো তাঁর প্রশিক্ষণে প্রথমবার পাহাড়ে উঠেছে।
একজন নারী হয়তো তাঁর উৎসাহে অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসকে পেশা হিসেবে ভাবতে শুরু করেছে।
কেউ হয়তো একটি কঠিন অভিযানের মাধ্যমে নিজের নেতৃত্বের ক্ষমতা আবিষ্কার করেছে।
এই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলিই তাঁর কাজকে দীর্ঘস্থায়ী করেছে।
উপসংহার
বছেন্দ্রী পালের জীবন একটি পাহাড়ের চূড়া জয়ের গল্প দিয়ে শুরু হলেও সেখানেই শেষ হয়নি।
১৯৮৪ সালের ২৩ মে তিনি মাউন্ট এভারেস্টের শীর্ষে উঠে ইতিহাস তৈরি করেছিলেন। কিন্তু তারপর তিনি সেই ইতিহাসকে নিজের মধ্যে আটকে রাখেননি। তরুণদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, নারীদের অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন, র্যাফটিং ও হিমালয় অভিযানে অংশ নিয়েছেন এবং অ্যাডভেঞ্চারকে নেতৃত্ব বিকাশের একটি মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার কাজে যুক্ত থেকেছেন।
তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হয়তো এটাই—একটি শিখর জয় করা একটি সাফল্য, কিন্তু অন্য মানুষকে নিজের শিখরে পৌঁছানোর পথ দেখানো একটি দীর্ঘ দায়িত্ব।
এভারেস্টের চূড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি ইতিহাস তৈরি করেছিলেন।
আর পাহাড় থেকে ফিরে এসে তিনি তৈরি করেছেন এমন এক পথ, যেখানে আরও অনেক মানুষ নিজেদের সীমা অতিক্রম করার সাহস পেয়েছে।
সেই কারণেই বছেন্দ্রী পাল শুধু একজন পর্বতারোহী নন; তিনি ভারতের অ্যাডভেঞ্চার শিক্ষা ও নারী নেতৃত্বের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ পথিকৃৎ।












Leave a Reply