সুভাষ চন্দ্র দাশ,ক্যানিং – এক নাবালিকা কে ধর্ষন করার অভিযোগ উঠলো কাকা সম্পর্কে প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে।আর এমন ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার বিষয়ে নির্যাতিতা নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা ক্যানিং থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের। অভিযোগের ভিত্তিতে নির্যাতিতা নাবালিকা কে তার শারীরিক পরীক্ষার জন্য ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করছে ক্যানিং থানার পুলিশ।
স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে ক্যানিং থানার অন্তর্গত নিকারীঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বসবাস করেন এক দম্পতী। তাঁদের দশ ও দেড় বছরের দুই শিশু কন্যা রয়েছে। বাড়ির অদূরে দম্পতির একটি মুদি দোকান রয়েছে। প্রতিদিনই ওই দম্পতি দুই মেয়ে কে ঘরে রেখে দোকানে যান।অন্যান্য দিনের মতো রবিবার সন্ধ্যায় ও দোকানে গিয়েছিলেন। অভিযোগ সেই সুযোগে প্রতিবেশী যুবক রাধেশ্যাম মন্ডল ওই দম্পতির বাড়িতে যায়। সেখানে গিয়ে দম্পতির নাবালিকা মেয়ের কাছে জানতে চায় যে, তার বাবা-মা কোথায়?অভিযোগ এরপর সুযোগ বুঝে ওই নাবালিকা কে জোর করে তার মুখ চেপে ধরে রাধেশ্যাম।তাকে নিয়ে ঘরের মধ্যে যায়। দরজা লাগিয়ে পর্দা নামিয়ে দিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষন করে।এরপর অভিযুক্ত ওই নাবালিকা কে শাসিয়ে বলে ,কারোর কাছে এমন ঘটনার কথা যেন না বলা হয়।জানাজানি হলে তাকে ও তার বাবা-মা কে খুন করে দেওয়া হবে।অভিযুক্ত যুবক পালিয়ে যেতেই নির্যাতিতা নাবালিকা তার মায়ের কাছে গিয়ে ঘটনার সমস্ত কথা জানায়।মুহূর্তে তার বাবা-মা অভিযুক্তের বাড়িতে ঘটনার কথা জিঞ্জাসা করতে গেলে তাদের কে অভিযুক্ত যুবকের পরিবারের লোকজন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং থানা পুলিশ জানালে খুন করে ফেলার হুমকি দেয় বলে নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ।
ঘটনার বিষয়ে রবিবার রাতে নির্যাতিতা নাবালিকার বাবা ক্যানিং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
নির্যাতিতা নাবালিকার বাবা-মায়ের অভিযোগ ‘অভিযুক্তের পরিবার খুন করার হুমকি দিচ্ছে। আমরা নিরাপত্তার অভাব বোধ করছি। তাদের দাবী যে ধরনে অসামাজিক কাজ করেছে রাধেশ্যাম,তার যেন কঠোরতম দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়।’
ক্যানিংয়ে ১০ বছরের নাবালিকা কে ধর্ষনের অভিযোগ, থানায় অভিযোগ দায়ের।












Leave a Reply