নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- দক্ষিণ ২৪ পরগনা পান চাষের জন্য রাজ্যের অন্যতম বিখ্যাত জেলা। এই জেলার পানের সুনাম সর্বত্র। কৃষি ও মৎস্যচাষের পাশাপাশি জেলার একটি বড়ো অংশের মানুষের মূল জীবিকা পান চাষ। প্রাথমিক বিনিয়োগ একটু বেশি হলেও বাজারের সহজলভ্যতা এবং নগদ প্রবাহের সুবিধার জন্য মানুষ পান চাষে আগ্রহী। মথুরাপুর-২ ব্লকের কোঙ্কনদিঘি গ্রামের মধ্য ত্রিশের বাসিন্দা তপন মাইতি একজন সফল পান চাষী। প্রায় চার কাঠা জমির উপর তপন বাবুর একটি পান বরজ রয়েছে এবং প্রায় ৮-৯ হাজার গাছ রয়েছে। সাত সদস্য বিশিষ্ট পরিবারটির জীবন জীবিকা এই পান চাষের উপরেই নির্ভরশীল।
সাম্প্রতিক তপন বাবুর পান গাছের গোড়া পচে যাচ্ছিলো। স্থানীয় বাজার থেকে কিনে প্রায় দুই সপ্তাহ ওষুধ ব্যবহার করলেও বিশেষ কোনো কাজ হয় নি। ইতিমধ্যে গ্রামের এক সারের দোকানদার তপন বাবুকে রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের হেল্পলাইন নম্বর ১৮০০ ৪১৯ ৮৮০০ নিঃশুল্ক পরিষেবার কথা বলেন এবং কৃষি বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। তাঁর পরামর্শমতো তপন বাবু রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের হেল্পলাইন নম্বরে কৃষি বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করেন এবং সমস্যা তুলে ধরেন। এরপর বিশেষজ্ঞের সুপারিশমতো প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগের পাশাপাশি গাছ পরিচর্যার বিষয়গুলিও রপ্ত করেন এবং এক সপ্তাহের মধ্যে কাঙ্খিত ফল পান। গাছের সুস্থতার পাশাপাশি পানের গুণমানও আগের থেকে ভালো হয়। সেই মরশুমে পান বরজ থেকে তপনবাবু প্রায় ১.২৫ লক্ষ টাকা রোজগার করেন। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের এই পরিষেবায় তপন বাবুর শুধু রোজগার বাড়েনি – সেই সাথে বেড়েছে আত্মবিশ্বাস – এলাকায় সফল পান ব্যবসায়ী হিসেবেও সুনাম অর্জন করেছেন।
অনুপ্রাণিত তপন বাবু রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন পরিবারকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন ” কৃষিতে অনেক পদ্ধতিগত পরিবর্তন এসেছে, কিন্তু সঠিক তথ্যের অভাবে আমরা এই আধুনিক কৃষি সম্পর্কে অবগত নই। কিন্তু রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের হেল্পলাইন, হোয়াটস্যাপ গ্রূপ, প্রশিক্ষণ গ্রাম বাংলার কৃষকদের এই অভাব অনেকটাই পুরন করেছে। এখন আমরা ঘরে বসেই হাতের মুঠোয় কৃষি সমস্যা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনা করতে পারি। “
রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের কৃষি বিশেষজ্ঞের পরামর্শে উপকৃত পান চাষী তপন মাইতি।












Leave a Reply