প্রতিনিয়ত শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের কারণে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিতে এসে মানসিক অবসাদে আত্মঘাতী গৃহবধূ।

নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা: প্রতিনিয়ত শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের কারণে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিতে এসে মানসিক অবসাদে আত্মঘাতী গৃহবধূ। গৃহবধূর মৃতদেহ হাসপাতালে দেখতে এসে গৃহবধূর বাবার বাড়ির লোকজনদের গণপ্রহারে গুরুতর আহত শশুর। ঘটনাটি শান্তিপুর রামনগর পাড়া এলাকার। জানা যায় মৃত গৃহবধূর নাম সাধনা ব্রাহ্মণ বয়স আনুমানিক কুড়ি বছর। গৃহবধূর বাবার বাড়ির লোকজনদের অভিযোগ ওই গৃহবধূ শশুর বাড়ির লোকজন প্রতিনিয়ত অত্যাচার করে গৃহবধূকে। বেশ কয়েকবার বাবার বাড়িতে এসে আশ্রয় নেয় গৃহবধূ। যদিও বাবার বাড়ির লোকজনেরা বুঝিয়ে শুনিয়ে আবারো শ্বশুরবাড়িতে দিয়ে আসে ওই গৃহবধুকে। অভিযোগ গত তিনদিন আগে আবারো অত্যাচারের মাত্রা বাড়ে, তারপরে ওই গৃহবধূ শান্তিপুর ঘোড়ালিয়া কুন্ডু পাড়ায় বাবার বাড়িতে এসে আশ্রয় নেয়। সোমবার রাত্রি ৯,৩০ নাগাদ ওই গৃহবধূ বাবার বাড়িতেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয় যদিও সেই সময় গৃহবধূর পরিবারের লোকজনেরা বাড়িতে ছিলেন না বাড়িতে এসে দেখে ওই গৃহবধূ ঘরের ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। তড়িঘড়ি শান্তিপুর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে, এরপরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি ক্ষোভ সৃষ্টি হয় গৃহবধুর বাবার বাড়ির লোকজনদের মধ্যে। তৎক্ষণাৎ গৃহবধূর শ্বশুর শান্তিপুর হাসপাতালে এসে পৌঁছায়, এরপরেই গৃহবধূর বাবার বাড়ির লোকজনদের গণপ্রহারে গুরুতর আহত হয় শ্বশুর। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শান্তিপুর থানার পুলিশ। তবে গৃহবধুর আত্মঘাতীর ঘটনায় গৃহবধুর পরিবারের লোকজন অভিযোগের তীর ছুরছেন গৃহবধুর শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের কারণে এই আত্মঘাতী বলে দাবি করছেন গৃহবধূর বাবার বাড়ির লোকজন। এই ঘটনায় গোটা হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *