অবৈধ সম্পর্কের জের, মদের সাথে স্বামীকে ঘাস মারার ওষুধ খাইয়ে প্রাণে মারার চেষ্টা স্ত্রীর, হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে স্বামী।

নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:-  অবৈধ সম্পর্কের জেরে মদের সাথে ঘাস মারার ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে প্রাণে মারার চেষ্টা স্ত্রীর। আশঙ্কা জনক অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে স্বামী। ঘটনাটি নদীয়ার শান্তিপুরের বেলঘড়িয়া ভাটা পাড়ার। আক্রান্ত ব্যক্তি ছোট্টু সরকারের পরিবারের অভিযোগ, গত সোমবার বিকেলের দিকে ছোট্টু সর্দারের স্ত্রী ফোন করে ছোট্টুকে ডাকে শান্তিপুর আরবান্দি কালীতলায় স্ত্রী নমিতার দিদির বাড়িতে। সেই মতো ছোট্ট শালিকার বাড়িতে যায়। রাত্রি ৮৩০ নাগাদ ছোট্টুর পরিবারের কাছে খবর আসে ছোট্টুর শরীর খুব খারাপ, গলা বুক জ্বলছে। ছুটে যায় ছোট্টু সরদারের গোটা পরিবার। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে ছোট্টু। তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে যাওয়া হয় রানাঘাট হাসপাতালে, সেখানে ছোট্টুর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকেরা কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে স্থানান্তর করে। পরিবারের দাবি, ছোট্টু সর্দারের এখন মুখ দিয়ে রক্ত উঠছে, এবং কথাও বলতে পারছে না, এক প্রকার হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে ছোট্টু। মা মায়া সর্দারের অভিযোগ, তার বৌমা সংসার করতে চাই না, তাই ছেলেকে ফোন করে ডেকে নিয়ে গিয়ে মদের সাথে ঘাস মারার ওষুধ খাইয়ে দিয়ে খুন করার চেষ্টা করেছে। অন্যদিকে ছোট্টু সরদারের বৌদি মাধবী সরদারের অভিযোগ, যায়ের অন্য কোথাও সম্পর্ক রয়েছে, সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতেই তার দেওর কে ঘাস মারার ওষুধ খাইয়ে প্রাণে মারার চেষ্টা করেছে যা নমিতা সরদার। যদিও কয়েক বছর আগে নমিতার সাথে দেখাশোনা করে বিবাহ হয় ছোট্টু সর্দারের। দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালায় ছোট্টু। অনেকদিন ধরেই স্ত্রী নমিতা সরদারের সাথে খুব একটা ভালো সম্পর্ক ছিল না ছোট্টু সর্দারের, কিন্তু সংসারে কখনো অশান্তি লক্ষ্য করেনি তারা। তবে হঠাৎই নিজের স্বামীকে মদের সাথে ঘাস মারার ওষুধ খাইয়ে এইভাবে যে প্রাণে মারার চেষ্টা করবে তা কখনো স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি বৌদি মাধবী সরদার ও মা মায়া সরদার। এই ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী নমিতা সর্দারের শাস্তির দাবিতে আজ শান্তিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ছোট্টুর পরিবার। ছোট্টুর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে তদন্তে শান্তিপুর থানার পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *