নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- করোনা আবহে দুই বছর বন্ধ ছিল পুর্নমিলন উৎসব বা নতুন ও পুরাতন মেল বন্ধন।পুনরায় ২০২৩ সালে ১৯শে মার্চ জাঁকজমক ভাবে কল্যানী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিন শিমুরালি শচীনন্দন কলেজ অফ এডুকেশনের (শিমুরালি বিটি কলেজ)প্রাক্তনী ও নতুনদের পুর্নমিলন উৎসব।সকাল থেকে সাজো সাজো রব কলেজ কে কেন্দ্র করে।অনিয়মিত ট্রেন চলাকালের কারনে অনেকেই আসতে পারিনি।প্রাক্তন অধ্যক্ষ বর্তমান অধ্যক্ষা পরিচালন কমিটির সভাপতি সহ প্রায় দুশো জন আজকের পুর্নমিলন উৎসবে উপস্থিত ছিল।উদ্বোধনী সঙ্গীত, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন,অতিথিবর্গের সংবর্ধনা ভাষন দিয়ে শেষ হয় প্রথম পর্বের অনুষ্ঠান।দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয় আবৃত্তি,গান,নাচ এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠান। এর পর খাওয়া দাওয়া শেষে তাদের কলেজের পুর্নমিলন কমিটির আলোচনা।পুরানো স্মৃতিচারণ করেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সমীর কুমার চক্রবর্তী তিনি একাত্তর -বাহাত্তর সালের প্রথম বিটি পড়েছেন তার সময়ে শিমুরালির বাসিন্দা শ্যামাপ্রসাদ রায় বিটি পড়েছেন।তিনি বলেন,সেই সময় রাস্তা এতটা ভালো ছিলনা।জমির আলধরে প্রায় দুই কিমি পায়ে হেঁটে ভাগীরথী শিল্পাশ্রমে বিটি পড়তে যেতে হতো।এখন শিমুরালি স্টেশনে কাছে চলে এসেছে যাতায়াতে সুবিধা হয়েছে।তিনি আরো বলেন,আমাদের সময় অধ্যাপক ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে আন্তরিকতা ছিল।ছিল খেলাধূলা সহ ক্যালচার,বর্তমানে সেই ভাবে দেখা যায় না।একি কথা জানালেন,বর্তমান শিমুরালি শচীনন্দন কলেজের অধ্যক্ষা ডক্টর অহনা চক্রবর্তী বলেন,আমি ২০১৮ সালে আগস্ট মাসে এই কলেজে এসেছি তাই অতিত টা ভালো জানিনা।তবে আগে যে রকম আত্মীয়তা দেখা যেত সেটা দেখা যায়না।কলেজের নবাগত সুপ্রিয়া ঘোষ ও সুদেষ্ণা সাহা তারা বলেন, আমরা এই কলেজে নতুন ভালো লাগছে এই রকম অনুষ্ঠানে আসতে পেরে।প্রাক্তনী দের কমিটির সম্পাদক সূজন দত্ত তিনি বলেন,আমাদের বারোতম পুর্নমিলন উৎসব,বলতে পারেন নতুন পুরাতনে মেলবন্ধন।
প্রাক্তনী ও নতুনের পুর্নমিলন উৎসব শিমুরালি বিটি কলেজে।












Leave a Reply