
রাত যত গভীর হয় পুরুষের নখের
আঘাতে ততই হয় রক্তাক্ত,
গভীর রাতে কঠিন শব্দের মানে গুলো
সরলমনা হয়ে যায়।
রাতের অবিধেয় কাণ্ড, বাধ্যতামূলক হৃদযন্ত্রের সংস্পর্শে পৌঁছে যেতে হয়-
অনেক প্রশ্ন নিয়ে হৃদযন্ত্রে আঘাত করলেও কিন্তু
উত্তর গুলো একটাও মানুষ হয় না;
সূক্ষ্ম শান্তি, এমনকি শুভ্র তাজা নিরাপদ নেই, সবই ক্ষণস্থায়ী।
ভূপৃষ্ঠের উপরিতলে বড় বড় গর্ত, খালের উপর বাঁশের পুল।
সৌরমণ্ডলে দীপ্তিমান বেধনাস্ত্র থরে থরে থাকে সাজানো,
রাত যত গভীর হয় তারারা তত উজ্জ্বল ও শক্তিশালী হয়ে ওঠে,
একে একে নেমে আসে গাঢ় আধাঁরে, চলতে থাকে এবড়ো খেবড়ো সরু পথ ধরে- এই উত্তম সময়ে ঠিক দেখা হয়ে যায়, করুণ থাম্বার অন্দরে ছিদ্র গুলো বদান্যতা পুরুষের ব্যবহৃতের মতো, অলক্ষিত হাসি
প্রতি মূহুর্তে বর্ণচ্ছটার লুকোছাপা প্রর্দশন।
গভীর রাতে তাই তো কঠিন শব্দের মানে গুলো সরলমনা,
অলিগলি গুলো বিকলাঙ্গ আমার ভাবনা জুড়ে।
প্রমত্ত পুরুষ ভালোবাসাকে নিষ্পেষণ করে,
এটা একতরফা স্বার্থের সংঘাত- অসূয়াপরবশ।












Leave a Reply