
সব খবর ডেস্ক, নিজস্ব সংবাদদাতা:- আজ ৯ই সেপ্টেম্বরঃ বেশ কিছুদিন ধরে হরিয়াল
পাখি দল বেঁধে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের বটগাছে ফল খেতে আসছে। মাস খানেক আগে বটগাছের নিচে একটি পাখি মরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। প্রাথমিক বিভাগের ছাত্ররা সেটা উচ্চ বিভাগের প্রধান শিক্ষক তথা জাতীয় গবেষক শিক্ষক শিক্ষারত্ন ও জাতীয় মেন্টারর কাছে নিয়ে আসেন। তখন তিনি ভাবছিলেন আবার কি নতুন ভাইরাস এদেরকে আক্রমণ করল এবং মারা গেল! আবার একটি আহত পাখিকে দশম শ্রেণীর ছাত্র বিধান রাই, সপ্তম শ্রেণীর অংকন দেবনাথ সহ একদল ছাত্রছাত্রী প্রধান শিক্ষকের কাছে নিয়ে আসে। তিনি বলেন এটি মহারাষ্ট্রের জাতীয় পাখি এবং পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জায়গায় এদের দল বেঁধে দেখা যায় I এদের পা হলুদ এবং দেহ সবুজ হলুদ এর সংমিশ্রণে অদ্ভুত সুন্দর আকর্ষণীয় বৈচিত্রময় রং। এই হরিদ্রাভ সবুজ রঙের জন্য অনেকে একে পবিত্র সৌহার্দের শান্তির সমৃদ্ধির পাখি মনে করেন। এদের খুব প্রিয় খাবার ডুমুর, বট, পাকুর জাতীয় ফল। কিন্তু কখনোই পোকামাকড় খায় না l এরা বটগাছের ফল খেতে এসে কৃত্রিম বাসায় থাকার চেষ্টা করায় পায়রার সঙ্গে ওদের মধ্যে কৃত্রিমবাসা দখলের লড়াইয়ে পাখিটির মাথায় ঠক্করে আহত হয়েছে। এটা নতুন করে ভাবার বিষয়! বিধান হেলথ কেয়ার এর নন্দিনী দে ম্যাডামের কাছে ক্ষতস্থানে ওষুধ লাগিয়ে নিয়ে আসা হয়। সে পাখিটিকে বাড়ি নিয়ে গিয়ে ভালো করে পরিবেশে ছেড়ে দেবে বলে জানান। প্রধান শিক্ষক ডঃ সুভাষ চন্দ্র দত্ত বলেন ইদানিং এই পাখির সংখ্যা হঠাৎ করে খুব কমতে শুরু করেছে, এবং হয়তো এমন একদিন আসবে এই পাখিটাকে আমরা আর দেখতে পাব না। কিছু লোভী শিকারি মাংস পালক বিক্রির লোভে এই পাখিদের নির্বিচারে ফাঁদ পেতে ধরচ্ছে। এদের অন্যতম প্রিয় খাবার হলো বট গাছের ফল। এই ফল বীজ খেয়ে গাছের বংশবিস্তার হতে সাহায্য করে। বিশিষ্ট পরিবেশবিদ অর্ণব দাস বলেন এই পাখি পৃথিবী থেকে শেষ হয়ে গেলে বট ডুমুর পাকুর ইত্যাদি পরিবেশ বান্ধব উপকারী গাছও পৃথিবী থেকে একদিন নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে I ডঃ দত্ত আরো জানান গাছ কেটে দেওয়ার ফলে নিরাপদ আশ্রয় নেওয়ার জন্য কৃত্রিম ভাষা দখল করার দ্বারা চেষ্টা করছে। তাই আসুন আমরা সবাই প্রকৃতির এই সুন্দর পাখি আর বট জাতীয় গাছ গুলোকে বাঁচিয়ে রাখার অঙ্গীকার বদ্ধ হই I এরা রক্ষা পেলে জীববৈচিত্রের সাথে সাথে পরিবেশ উন্নত হবে এবং পৃথিবীও বসবাসের আরো উপযুক্ত হবে।












Leave a Reply