
মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- হরিশ্চন্দ্রপুরে পথ দুর্ঘটনায় মৃত যুবকের দেহ নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা। পুলিশের সঙ্গে উত্তেজিত জনতার খন্ড যুদ্ধ। পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর। আক্রান্ত একাধিক পুলিশ কর্মী। পুলিশের লাঠির আঘাতে রক্তাক্ত মৃতের মা। ঘটনাটি ঘটেছে আজ শুক্রবার সকালে কুশিদা হাসপাতাল চত্বরে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,সাত সকালে লরির ধাক্কায় মৃত্যু হয় রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের মানকিবাড়ি এলাকার বাইক চালক যুবক হাসান আলীর (২১)। গুরুতর আহত হন তাঁর দিদি দুলি খাতুন (৩০)। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে কুশিদা ক্যাম্প ও হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।
দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যেতে বাধা দেয় মৃতের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনরা। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে তারা।অভিযোগ,পরিস্থিতি ক্রমশ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে মৃতের আত্মীয়স্বজন ও কিছু স্থানীয় বাসিন্দা পুলিশের উপর চড়াও হন। শুরু হয় ধস্তাধস্তি ও ব্যাপক উত্তেজনা। ঘটনায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার তিন পুলিশকর্মী আহত হন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের গাড়িতে ইট,পাথর ও কাঠের গুড়ি ছুড়ে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে উত্তেজিত জনতার বিরুদ্ধে।পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত পুলিশ লাঠিচার্জ করে। সেই সময় পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত হন মৃত যুবকের মা আকালি খাতুন বলে অভিযোগ। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার জেরে ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নতুন করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সুমিত কুমার ঘোষের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী ও র্যাফ মোতায়েন করা হয়েছে কুসিদা এলাকায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ এবং পরবর্তী সংঘর্ষের ঘটনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।












Leave a Reply