
Oplus_131072
উপকরণ
প্রধান উপকরণ
গলদা চিংড়ি বা বড় বাগদা চিংড়ি – ৮টি
নারকেলের দুধ – ২ কাপ
পেঁয়াজ বাটা – ৩ টেবিল চামচ
আদা বাটা – ১½ টেবিল চামচ
রসুন বাটা – ১ চা চামচ
দই – ¼ কাপ
কাজুবাদাম বাটা – ২ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো – ১ চা চামচ
লাল লঙ্কা গুঁড়ো – ½ চা চামচ
গরম মসলা গুঁড়ো – ½ চা চামচ
তেজপাতা – ২টি
দারুচিনি – ১ টুকরো
এলাচ – ৩টি
ঘি – ১ চা চামচ
সর্ষের তেল – ৬ টেবিল চামচ
চিনি – ১ চা চামচ
লবণ – স্বাদমতো
কাঁচালঙ্কা – ৫–৬টি
গরম জল – প্রয়োজনমতো
বিস্তারিত প্রণালী
প্রথমে চিংড়িগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। মাথা রেখে রান্না করলে স্বাদ বেশি হয়। পিঠের কালো শিরা বের করে ধুয়ে নিন।
চিংড়ির গায়ে হলুদ ও লবণ মাখিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন।
একটি কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করুন।
চিংড়িগুলো হালকা লালচে করে ভেজে তুলে রাখুন। খুব বেশি ভাজবেন না, তাহলে চিংড়ি শক্ত হয়ে যাবে।
একই তেলে তেজপাতা, দারুচিনি ও এলাচ ফোড়ন দিন।
ফোড়নের গন্ধ বের হলে পেঁয়াজ বাটা দিয়ে ধীরে ধীরে কষাতে শুরু করুন।
পেঁয়াজের রং হালকা বাদামি হলে আদা ও রসুন বাটা যোগ করুন।
২–৩ মিনিট কষানোর পর হলুদ ও লাল লঙ্কা গুঁড়ো দিন।
মশলা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে কাজুবাদাম বাটা যোগ করুন।
এরপর ফেটানো দই ধীরে ধীরে মিশিয়ে নাড়তে থাকুন যাতে দই কেটে না যায়।
এখন নারকেলের দুধের অর্ধেক অংশ ঢেলে দিন এবং কম আঁচে রান্না করুন।
মশলার সঙ্গে নারকেলের দুধ ভালোভাবে মিশে গেলে বাকি নারকেলের দুধ যোগ করুন।
লবণ, চিনি ও কাঁচালঙ্কা মিশিয়ে দিন।
ঝোল ফুটতে শুরু করলে ভাজা চিংড়িগুলো কড়াইয়ে দিন।
ঢেকে কম আঁচে ৮–১০ মিনিট রান্না করুন।
চিংড়ি নারকেলের দুধের মিষ্টি স্বাদ শুষে নিয়ে আরও সুস্বাদু হয়ে উঠবে।
রান্নার শেষে গরম মসলা ও ঘি ছড়িয়ে দিন।
চুলা বন্ধ করে ৫ মিনিট ঢাকা দিয়ে রাখুন।
এই সময়ে সমস্ত সুগন্ধ ঝোলের মধ্যে মিশে যাবে।
️ পরিবেশন
গরম বাসমতি ভাত, পোলাও বা সাদা ভাতের সঙ্গে চিংড়ি মালাইকারি পরিবেশন করুন।
নারকেলের দুধের মোলায়েম স্বাদ, গলদা চিংড়ির রসালো মাংস এবং হালকা মশলাদার সমৃদ্ধ ঝোল এই পদটিকে বাঙালি রান্নার অন্যতম রাজকীয় ও জনপ্রিয় মাছের রেসিপিতে পরিণত করেছে। উৎসব, বিবাহ অনুষ্ঠান বা বিশেষ অতিথি আপ্যায়নে চিংড়ি মালাইকারির আবেদন আজও












Leave a Reply