
উপকরণ
প্রধান উপকরণ
লাউ – ১টি মাঝারি (কুচি বা সরু করে কাটা)
ইচা চিংড়ি – ২০০ গ্রাম
আলু – ১টি (কুচি করা)
পেঁয়াজ কুচি – ১টি বড়
আদা বাটা – ১ চা চামচ
রসুন বাটা – ½ চা চামচ
কাঁচালঙ্কা – ৫–৬টি
হলুদ গুঁড়ো – ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়ো – ½ চা চামচ
শুকনো লঙ্কা – ২টি
তেজপাতা – ১টি
গোটা জিরা – ½ চা চামচ
সর্ষের তেল – ৪ টেবিল চামচ
ঘি – ১ চা চামচ
চিনি – ½ চা চামচ
লবণ – স্বাদমতো
ধনেপাতা কুচি – ২ টেবিল চামচ
বিস্তারিত প্রণালী
প্রথমে ইচা চিংড়ি ভালোভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন।
চিংড়ির সঙ্গে সামান্য হলুদ ও লবণ মাখিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন।
লাউয়ের খোসা ছাড়িয়ে পাতলা করে কুচি বা সরু সরু করে কেটে নিন।
একটি কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করুন।
প্রথমে চিংড়িগুলো হালকা ভেজে তুলে রাখুন।
একই তেলে শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা ও গোটা জিরা ফোড়ন দিন।
ফোড়নের সুবাস বের হলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভাজুন।
পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে আদা ও রসুন বাটা যোগ করুন।
এরপর হলুদ ও জিরা গুঁড়ো সামান্য জল দিয়ে মিশিয়ে কড়াইয়ে দিন।
মশলা কষানো হলে আলু যোগ করে ২–৩ মিনিট নাড়ুন।
এখন কাটা লাউ কড়াইয়ে দিন।
লাউ থেকে প্রচুর জল বের হবে, তাই প্রথমে অতিরিক্ত জল দেওয়ার দরকার নেই।
লবণ ও সামান্য চিনি মিশিয়ে ঢেকে দিন।
মাঝে মাঝে নেড়ে দিন যাতে নিচে লেগে না যায়।
লাউ অর্ধেক সেদ্ধ হয়ে এলে ভাজা ইচা চিংড়ি যোগ করুন।
কাঁচালঙ্কা ছড়িয়ে দিন।
ঢেকে আরও ১০–১২ মিনিট রান্না করুন।
ধীরে ধীরে লাউ ও চিংড়ির স্বাদ একে অপরের সঙ্গে মিশে যাবে এবং রান্না মাখামাখা হয়ে আসবে।
প্রয়োজন হলে সামান্য গরম জল ছিটিয়ে দিতে পারেন।
রান্না প্রায় শেষ হলে ঘি ও ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন।
চুলা বন্ধ করে ৫ মিনিট ঢাকা দিয়ে রাখুন।
️ পরিবেশন
গরম সাদা ভাতের সঙ্গে ইচা চিংড়ি দিয়ে লাউ ঘন্ট পরিবেশন করুন।
লাউয়ের স্বাভাবিক মিষ্টি স্বাদ, ইচা চিংড়ির সুগন্ধ এবং মাখামাখা ঘন্টার টেক্সচার এই পদটিকে বাঙালি ঘরোয়া রান্নার একটি অতি জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী খাবারে পরিণত করেছে। গরম ভাতের সঙ্গে এই সহজ অথচ অসাধারণ সুস্বাদু পদ মধ্যাহ্নভোজকে করে তোলে আরও তৃপ্তিদায়ক।












Leave a Reply