সেচ দপ্তরের জমিতে ঘর-শৌচালয় তৈরিতে বাধার অভিযোগ, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মালদায়।

মালদা, নিজস্বসংবাদদাতা:— সেচ দপ্তরের অধিগৃহীত জমিতে ঘর ও শৌচালয় তৈরিতে বাধা এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে অভিযোগ জানিয়েও ব্যবস্থা না হওয়ায় এদিন বিক্ষোভে সামিল হন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাটি হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের দৌলতনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের মিহাহাট এলাকার। অভিযোগ, হরিশ্চন্দ্রপুর ২ পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূলের মৎস্য ও প্রাণী কর্মাধ্যক্ষ তথা প্রাক্তন প্রধান মহম্মদ নজিবুর রহমান ও তাঁর তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, ২০০৪ সালের ফুলহার নদীর ভাঙনে ঘরবাড়ি ও জমি হারিয়ে প্রশাসনের সহযোগিতায় ওই এলাকায় বসতি গড়েন বহু পরিবার। বর্তমানে প্রায় ৬০টি পরিবার ২২ বছর ধরে সেখানে বসবাস করছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন বসবাস করলেও নতুন করে ঘর বা শৌচালয় তৈরি করতে গেলে বাধা দেওয়া হচ্ছে। ঘর তৈরির সুযোগ না পেয়ে কয়েকটি পরিবার পলিথিন টাঙিয়ে দিন কাটাচ্ছে বলেও দাবি। তাঁদের আরও অভিযোগ, ওই জমির একাংশে নজিবুর রহমান লিজ নিয়ে মাখনা চাষ করছেন এবং অন্য অংশে ধান চাষ ও মাখনার ফড়ি বানিয়েছে। বাসিন্দা কানাই মণ্ডল, গোপালচন্দ্র মণ্ডল, গুণধর মণ্ডল ও নরেন মণ্ডলের দাবি, তাঁদের উচ্ছেদের চেষ্টা চলছে। প্রশাসনে অভিযোগ জানিয়েও সুরাহা হয়নি। তাঁদের দাবি, পুনর্বাসনের পাশাপাশি পাট্টা দিতে হবে। অভিযোগ অস্বীকার করে নজিবুর রহমান বলেন, ঘর তৈরিতে বাধা দেওয়া হয়নি। বাথরুমের নোংরা ও আবর্জনা যাতে জমিতে না যায়, সে কারণেই বাধা দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তাঁর বদনাম করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *