সুভাষ চন্দ্র দাশ,ক্যানিং – শুক্রবার রাতে প্রয়াত হলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রী, প্রাক্তন সাংসদ,বিধায়ক তথা বিশিষ্ট শিক্ষক শ্রী গোবিন্দ চন্দ্র নস্কর।
১৬ই জুন ১৯৪১ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গৌড়দহ তে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন গোবিন্দ চন্দ্র নস্কর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। বার্ধক্য জনিত অসুস্থতা নিয়ে গত প্রায় ২৪ দিন যাবৎ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। শুক্রবার রাত ৮টা ৫৫ মিনিট নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা তৃণমূলের জেলা সভাপতি ছিলেন।
২০০৯ সালে বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্র থেকে জিতে সাংসদ হন তিনি। ২০১৬ সালে বাসন্তী বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন তিনি।
গোবিন্দ চন্দ্র নস্কর ১৯৭১ সালে ক্যানিং বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতে প্রথম বার বিধায়ক হয়েছিলেন (১৯৭১-৭৭)।পরে ক্যানিং পশ্চিম থেকে বিধায়ক হন (১৯৮৭-৯১)।ঐ কেন্দ্রের আবার বিধায়ক হন (২০০১-২০০৬ )। কংগ্রেসের টিকিটে জিতেছিলেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ের মন্ত্রিসভায় শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রী ছিলেন তিনি। বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ নির্বাচিত হন (২০০৯-২০১৪)। বাসন্তী বিধান সভার বিধায়ক হিসাবে কাজ করেন( ২০১৬-২০২১)। গোবিন্দ চন্দ্র নস্কর জয়নগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জেতা তৃণমূলের সাংসদ প্রতিমা মণ্ডলের বাবা । ইতিহাসের স্নাতকোত্তর ছিলেন তিনি। পড়াশোনা করেছেন কলকাতা এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। পেশায় শিক্ষক ছিলেন তিনি। ১৯৬১ সালে উমা নস্করকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। তাঁর সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বহু সামাজিক সংস্কার মূলক এবং অসংখ্য গঠনমূলক কাজ করে হাজার হাজার মানুষের মনের মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি।তাঁর মৃত্যুতে এক মহান মানব জীবনের ইতি ।তাঁর নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে চিরকাল।
ইন্দিরা গান্ধীকে তিনি নিয়ে এসেছিলেন সুন্দরবনের মানুষের সমস্যার কথা তুলে ধরার জন্য। তাঁর আমলেই এবং তাঁর প্রচেষ্টায় গঠিত হয়েছিল সুন্দরবন উন্নয়ন বোর্ড। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিল সুমধুর। জয়নগর কেন্দ্রের সাংসদ প্রতিমা মন্ডল বলেন , “বাবা ২৪ দিন অসুস্থ থাকার পর শুক্রবার রাত ৮.৫৫ নাগাদ প্রয়াত হয়েছেন।”
তিনি বেশ কিছুদিন যাবত অসুস্থ ছিলেন। তারপর কলকাতার একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন অবস্থাতেই প্রয়াত হলেন। বর্তমানে তিনি রেখে গেছেন কন্যা ও সন্তানদের। বালিগঞ্জে থাকলেও আদি বাড়ি ছিল ক্যানিং থানার গৌড়দহ এলাকাতে। গোবিন্দ নস্করের প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজনৈতিক মহলে।
শোক জ্ঞাপন করেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুভাষ নস্কর জানালেন ’’রাজনীতির আঙিনায় পৃথক হলেও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল তাঁর সাথে।তাঁর মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হল।’
ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশ রাম দাস শোক জ্ঞাপন করে জানিয়েছেন ‘তার মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হল।তিনি ছিলেন আমাদের শিক্ষাগুরু অভিভাবক।’
প্রয়াত হলেন বর্ষীয়ান তৃণমূলনেতা গোবিন্দ চন্দ্র নস্কর
সুভাষ চন্দ্র দাশ,ক্যানিং – শুক্রবার রাতে প্রয়াত হলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রী, প্রাক্তন সাংসদ,বিধায়ক তথা বিশিষ্ট শিক্ষক শ্রী গোবিন্দ চন্দ্র নস্কর।
১৬ই জুন ১৯৪১ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গৌড়দহ তে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন গোবিন্দ চন্দ্র নস্কর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। বার্ধক্য জনিত অসুস্থতা নিয়ে গত প্রায় ২৪ দিন যাবৎ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। শুক্রবার রাত ৮টা ৫৫ মিনিট নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা তৃণমূলের জেলা সভাপতি ছিলেন।
২০০৯ সালে বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্র থেকে জিতে সাংসদ হন তিনি। ২০১৬ সালে বাসন্তী বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন তিনি।
গোবিন্দ চন্দ্র নস্কর ১৯৭১ সালে ক্যানিং বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতে প্রথম বার বিধায়ক হয়েছিলেন (১৯৭১-৭৭)।পরে ক্যানিং পশ্চিম থেকে বিধায়ক হন (১৯৮৭-৯১)।ঐ কেন্দ্রের আবার বিধায়ক হন (২০০১-২০০৬ )। কংগ্রেসের টিকিটে জিতেছিলেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ের মন্ত্রিসভায় শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রী ছিলেন তিনি। বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ নির্বাচিত হন (২০০৯-২০১৪)। বাসন্তী বিধান সভার বিধায়ক হিসাবে কাজ করেন( ২০১৬-২০২১)। গোবিন্দ চন্দ্র নস্কর জয়নগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জেতা তৃণমূলের সাংসদ প্রতিমা মণ্ডলের বাবা । ইতিহাসের স্নাতকোত্তর ছিলেন তিনি। পড়াশোনা করেছেন কলকাতা এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। পেশায় শিক্ষক ছিলেন তিনি। ১৯৬১ সালে উমা নস্করকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। তাঁর সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বহু সামাজিক সংস্কার মূলক এবং অসংখ্য গঠনমূলক কাজ করে হাজার হাজার মানুষের মনের মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি।তাঁর মৃত্যুতে এক মহান মানব জীবনের ইতি ।তাঁর নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে চিরকাল।
ইন্দিরা গান্ধীকে তিনি নিয়ে এসেছিলেন সুন্দরবনের মানুষের সমস্যার কথা তুলে ধরার জন্য। তাঁর আমলেই এবং তাঁর প্রচেষ্টায় গঠিত হয়েছিল সুন্দরবন উন্নয়ন বোর্ড। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিল সুমধুর। জয়নগর কেন্দ্রের সাংসদ প্রতিমা মন্ডল বলেন , “বাবা ২৪ দিন অসুস্থ থাকার পর শুক্রবার রাত ৮.৫৫ নাগাদ প্রয়াত হয়েছেন।”
তিনি বেশ কিছুদিন যাবত অসুস্থ ছিলেন। তারপর কলকাতার একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন অবস্থাতেই প্রয়াত হলেন। বর্তমানে তিনি রেখে গেছেন কন্যা ও সন্তানদের। বালিগঞ্জে থাকলেও আদি বাড়ি ছিল ক্যানিং থানার গৌড়দহ এলাকাতে। গোবিন্দ নস্করের প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজনৈতিক মহলে।
শোক জ্ঞাপন করেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুভাষ নস্কর জানালেন ’’রাজনীতির আঙিনায় পৃথক হলেও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল তাঁর সাথে।তাঁর মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হল।’
ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশ রাম দাস শোক জ্ঞাপন করে জানিয়েছেন ‘তার মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হল।তিনি ছিলেন আমাদের শিক্ষাগুরু অভিভাবক।’












Leave a Reply