আবদুল হাই, বাঁকুড়াঃ একটু জল দাও-পানি দাও, ঠিক চাতক পাখির মতোই শূন্যে তাকিয়ে এই কথাই হয়তো গুণ গুণ করছে আপামর দক্ষিণ বঙ্গবাসী।
ভরা বর্ষা তবুও বৃষ্টির দেখা নেই, যদিও বা হচ্ছে ছিঁটৈ ফোঁটা তাও প্রখর দাবদহে ক্ষণিকেই শুকিয়ে কাঠ মাঠ ঘাট।
পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়েছে স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের কাছে।
স্বাভাবিক তাপমাত্রা যদি বা সহ্য করা যায় কিন্তু ভরা বর্ষায় এই তাপমাত্রা আর প্রখর দাবাদহ ধরাচ্ছে শরীরে তীব্র জ্বলন, প্রখর দাবদহ থেকে মাথা বাঁচাতে তাই ছাত্র-ছাত্রীদের দেখা যাচ্ছে টুপি কিংবা ছাতা মাথায় স্কুলের দিকে যেতে।
সাংবাদিকের ক্যামেরার সামনে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিক্রিয়া দূরদূরান্ত থেকে আসতে হয় আমাদের, প্রচন্ড গরম এবং রোদ তাই বাধ্য হয়েই টুপি কিংবা ছাতা নিতে হচ্ছে, তাদের আরো প্রতিক্রিয়া বর্ষাকালে এইরকম উৎকট গরম জীবনেও দেখিনি।
ঠিক কথাই বলেছে ছাত্র ছাত্রীরা, প্রকৃতির এই খামখেয়ালী আচরণ সত্যি আশ্রয়জনক এবং হতাশা জনকও বটে।
ভরা বর্ষায় গ্রীষ্মের দাবদহ, রোদ থেকে মাথা বাঁচাতে টুপি ও ছাতায় ভরসা ছাত্র-ছাত্রীদের।












Leave a Reply