নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- কীর্তনের অনুষ্ঠানের নাম করে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ১২ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী কিশোরীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পুলিশের জালে গ্রেফতার অভিযুক্ত ব্যক্তি। ঘটনাটি নদীয়ার শান্তিপুর থানা এলাকার। পরিবারের অভিযোগ, তাদেরই পরিচিত এক ব্যক্তি এই ঘটনা ঘটায়। পরিবারের দাবি, ওই কিশোরী জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে ঠিকমত চোখে দেখতে পারে না, তাই দাদু দিদার কাছে মানুষ। দাদু কীর্তন করে বেড়ান, সেই সূত্রে প্রতিবেশী পাড়ার রতন বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তির সাথে দীর্ঘদিন ধরে কীর্তন করতেন তিনি। অভিযোগ রতন বিশ্বাস নামে ৫০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি তার বাড়ির পাশে কীর্তনের অনুষ্ঠান হওয়ার নাম করে ওই কিশোরীকে তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন কিশোরীর দাদুর কাছে। দাদু সেইমতো কিশোরীর মামাকে দিয়ে পাঠিয়ে দেয় ওই ব্যক্তির বাড়িতে। তার কিছুক্ষণ পরেই ওই কিশোরী দৌড়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাঁদতে থাকে, এছাড়াও চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ। পরিবার জিজ্ঞাসা করলে উত্তর দেওয়ার আগে আতঙ্কে কথা জড়িয়ে যায় কিশোরীর। পরবর্তীতে রতন বিশ্বাস নামে ওই ব্যক্তি কিশোরীর সাথে কি কি ঘটনা ঘটিয়েছে তা সবটাই খুলে বলে। পরিবারের অভিযোগ, নাবালিকাকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানি করে রতন বিশ্বাস নামে ওই ব্যক্তি। যদিও এই ঘটনা জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এলাকায়, সাথে সাথেই গা ঢাকা দেয় অভিযুক্ত রতন বিশ্বাস। এই ঘটনায় দোষীর উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে শান্তিপুর থানার দ্বারস্থ হয় কিশোরীর পরিবার, এছাড়াও একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত রতন বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে শান্তিপুর থানার পুলিশ। তবে ৫০ বছরের এক ব্যক্তি ১২ বছরের এক কিশোরীর সাথে যে এই ঘটনা ঘটাতে পারে তা কখনোই মেনে নিতে পারছে না কিশোরীর পরিবার।
বাড়িতে ডেকে নিয়ে প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে, পুলিশের জালে গ্রেফতার অভিযুক্ত।












Leave a Reply