নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- গৃহবধূকে গায়ে আগুন দিয়ে খুন করার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। ১৩ মাস মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লরে অবশেষে মৃত্যু হয় গৃহবধুর। জানা যায়, মৃত গৃহবধুর নাম আহ্লাদী হালদার, বয়স আনুমানিক ১৯ বছর। ওই গৃহবধূর এক বছর সাত মাসের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। গৃহবধুর শ্বশুর বাড়ি শান্তিপুর ব্লকের নৃসিংহ পুর মধ্য কলোনিতে, বাবার বাড়ি নৃসিংহ পুর ইন্দিরা বসন এলাকায়। বাবা কেষ্ট হালদারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্বামী উত্তম দত্তর অত্যাচার সহ্য করতে হতো তাদের মেয়েকে, মাঝেমধ্যেই মেয়ে আমাদের কাছে এসে আশ্রয় নিত, কিন্তু সংসার করার তাগিদে আবারো তাকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো হয়। এক বছর এক মাস আগে ভাসুর ও যা মিলে গায়ে গৃহবধূর গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়, খবর পেতেই ছুটে আসে গৃহবধুর বাবা। এরপর শ্বশুরবাড়ি থেকে তাদের মেয়েকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় শান্তিপুর হাসপাতালে, সেখানে অবনতি হওয়ায় স্থানান্তর করা হয় শক্তিনগর জেলা হাসপাতাল। তারপর থেকেই মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল গৃহবধূ, অবশেষে গতকাল বেলা বারোটা নাগাদ মৃত্যু হয় গৃহবধুর। বাবা কেষ্ট হালদারের অভিযোগ ঘটনার পরেই শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন শান্তিপুর থানায়, কিন্তু জামিনে তারা ছাড়া পেয়ে যায়। এখন তাদের মেয়ের মৃত্যু হাওয়াই আরো একবার খুনের অভিযোগ দায়ের করবে বলে জানান তারা। স্বভাবতই গৃহবধুর মৃত্যুর ঘটনায় শোকাহত গোটা এলাকা, এছাড়াও কান্নায় ভেঙে পড়ে গৃহবধূর বাবার বাড়ির পরিবার। আজ মৃতদেহ উদ্ধার করার পাশাপাশি ময়না তদন্তের জন্য রানাঘাট মর্গে পাঠায় শান্তিপুর থানার পুলিশ। অন্যদিকে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
গৃহবধূকে গায়ে আগুন দিয়ে খুন করার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে।












Leave a Reply