পূর্ব বর্ধমান, রামকৃষ্ণ চক্রবর্তীঃ- আসল মালিকের দলিলে নকল ছবি বসিয়ে প্রতারণা করছিল একটি চক্র। এরকম একটি চক্রকে এদিন বর্ধমান কোর্ট কম্পাউন্ড এলাকায় ধরে ফেলল প্রতারিত লোকজন। ভাতারের এক জমির মালিকের আসল দলিল হস্তগত করে সেখানে নিজের ছবি বসিয়েছিল কিছু প্রতারক। সেই দলিলে উল্লিখিত জমি এরপর বিক্রির জন্য বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল ওই দালাল চক্র। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ ভবনের সামনে ওই দালাল চক্র তাদের প্রতারণার ফাঁদ পাততো বলে জানা গেছে। এই ফাঁদে পা দিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন। তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়েছিল ওই দালাল চক্র। আজ ওই দালাল চক্রের লোকজনকে ফোন করে বাকি টাকা দেবার জন্য ডাকা হয়। তখনই ওই প্রতারকদের ধরে ফেলেন প্রতারিত ব্যক্তি ও স্থানীয় লোকজন। বর্ধমান থানার পুলিশকে খবর দেওয়া হলে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ ভবন এবং কোর্ট কমপাউন্ডে এরকম প্রতারণা চক্র সক্রিয় বলে অভিযোগ। অভিযোগকারী সাধনা রাউত বলেন, আমরা গরীব মানুষ আমার রেলের জায়গায় থাকি আমরা বাড়ি করবো বলে জায়গা কিন্তু উদ্যোগী হয়েছিলাম এমনকি আমাদের আমাদের জায়গা পর্যন্ত দেখিয়েছিল গাংপুরে। আমি ৮০ হাজার টাকা এবং আমার মেয়ে 30 হাজার টাকা দিয়েছি চার কাটা জায়গা কিনব বলে আমি আর আমার মেয়ে। আরতি চৌধুরী নামে আর এক অভিযোগকারী বলেন, আমাকে সাধনা রাউত বললো গাংপুরে ভালো জায়গা আছে আমি কিনছি তুমিও কিনবে। আমার সঙ্গে কথাবার্তা হওয়ার পর আমি ষাট হাজার টাকা বাইনা দিয়েছি এবং কোর্টের সব কাগজপত্র করা হয়েছে। তারপরে জানতে পারলাম গোটা ব্যাপারটাই ভুয়ো।যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি বলেন, দাদা আমি কিছু জানি না। আমি কিছুদিন হলো ওই জায়গা পত্র দালালি শুরু করেছি। আমাকে ওরা বলল যে একটা দলিল তৈরি করা হয়েছে সেখানে সই করে দিতে আমি ওদেরকে জিজ্ঞেস করলাম এটা কি করে হয়। কিন্তু ওরা বলল সব রকম ব্যবস্থা করা হয়েছে তুমি সই করে দাও। আমি আপনাদের কাছে হাত জোড় করছি যদি ওরা টাকা ফেরত না দেয় তাহলে আমি টাকা ফেরত দেবো।
জমি নিয়ে প্রতারণা, দুজনকে আটক করলো বর্ধমান থানার পুলিশ।












Leave a Reply