আবদুল হাই, বাঁকুড়াঃ এক কন্যা সন্তান ও স্ত্রী সুধা ক্ষেত্রপালকে সাথে নিয়ে টোটো চালিয়ে যেটুকু উপার্জন হয় তাই দিয়েই বেশ সুখেই সংসার চলছিল লক্ষীকান্ত ক্ষেত্রপালের। আচমকা একদিন সুখের সংসারে ঘনিয়ে এল কালো মেঘ। নিয়তির ডাকে চলে যেতে হোল লক্ষীকান্ত ক্ষেত্রপালকে। নদীর বাঁধ ভাঙ্গার মতো ভেঙ্গে গেল লক্ষীকান্ত ক্ষেত্রপালের সংসার। বাড়ির একমাত্র রোজগেরে তাদের ছেরে চলে গেছে। অসহায় হয়ে পড়েছে সুধা ক্ষেত্রপাল ও তার একমাত্র মেয়ে শিবানী ক্ষেত্রপাল। লেখাপড়া অভাবের কারণে প্রায় বন্ধ্যের মুখে। না খেয়ে না দেয়ে কোন রকমে দিন কাটছে তাদের।
এই খবর এসে পৌঁছায় বাঁকুড়া জেলার কোতুলপুর থানার ওসি রাম নারায়ণ পাল ও কোতুলপুর এর সার্কেল ইনস্পেক্টর দেবব্রত সিনহার কাছে। তার পরেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন সুধা ক্ষেত্রপালের দিকে। অভাব অনটন দূর করতে শিবানী ক্ষেত্রপালের পড়াশোনার কথা চিন্তা করে টাকা উপার্জনের জন্য কোতুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক রামনারায়ণ পাল এবং কোতুলপুর এর সার্কেল ইনস্পেক্টর দেবব্রত সিনহা সুধা ক্ষেত্রপালের হাতে একটি নতুন টোটোর চাবিকাঠি তুলে দেন। টোটো চালিয়ে কিছুটা হলেও সংসারের আর্থিক দুরবস্থার লাঘব হবে এমনটাই মনে করা হচ্ছে । কোতুলপুরে এই প্রথম মহিলা টোটো চালক দেখা যাবে যার অনুপ্রেরণা কোতুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক রাম নারায়ণ পাল । আজ টোটো টির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কোতুলপুর এর সার্কেল ইন্সপেক্টর দেবব্রত সিনহা সঙ্গে ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষক প্রসেনজিৎ সরকার সহ বিশিষ্টজনরা। টোটো পেয়ে খুশি সুধাদেবী।
কোতুলপুর পুলিশের মানবিক মুখ স্বামী হারা মহিলাকে টোটো প্রদান।












Leave a Reply