নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদাঃ—আইসিডিএস-এ চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার যে অভিযোগ তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক রহিম বক্সীর বিরুদ্ধে উঠেছিল, তা কার্যত ভিত্তিহীন বলে প্রকাশ্যে এলো। অভিযোগকারী গাজোলের এক মহিলা ফরিদা খাতুন যিনি জেলাশাসকের কাছে এই অভিযোগ করেছিলেন। অবশেষে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করলেন ওই মহিলা। মালদা জেলা প্রশাসনিক ভবনে এসে অতিরিক্ত জেলা শাসক বৈভব চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করে নিজের ভুল স্বীকার করেছেন অভিযোগকারী মহিলা ফরিদা খাতুন । তিনি বলেন, এলাকার একদা বাম নেত্রী আমার কাছ থেকে আইসিডিএস-এর চাকরি করার নাম করে আড়াই লক্ষ টাকা নিয়েছিল। এরপর ওই নেত্রী তৃণমূলে যোগ দেন। কিন্তু আমার কাছে তৃণমূলের বিধায়ক তথা জেলা সভাপতি রহিম বক্সী কোন রকম টাকা নেন নি । এরপর এলাকার কয়েকজন ইংরেজিতে লেখা একটি অভিযোগপত্র আমার কাছে এসে সই করিয়ে নিয়ে যায় । আমি ওদের বিশ্বাস করে সেই কাগজে সই করেছিলাম। ওরা বলেছিল যে আমার চাকরি হবে । ইংরেজিতে কী লেখা ছিলো জানি না । কিন্তু এর পিছনে এতবড় ষড়যন্ত্র থাকতে পারে সেটা বুঝতে পারি নি। আমি তৃণমূলের জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছিলাম। তাই এদিন সপরিবারে এসে সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করলাম।
উল্লেখ্য, গাজোলে আলিনগর এলাকার পাঁচজন মহিলা আইসিডিএস-এ চাকরি পাবেন বলে এলাকারই দলেরই এক নেত্রীকে মোটা টাকা দিয়েছিলেন। এরপর চাকরির না মেলায় সেই টাকা ফেরতের দাবি করেন ওই মহিলারা। অবশেষে টাকা না পেয়ে গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এই ঘটনায় কৌশল ভবে কেউ বা কারা অভিযোগপত্রে তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সীর নাম যুক্ত করে দেয় তৃণমূলের অভিযোগ। ইংরেজিতে লেখা সেই অভিযোগ পত্র না পড়ে মহিলারা সই করেছিলেন বলে দাবি করে জানিয়েছেন ফরিদা খাতুন। অভিযোগকারী সেই পাঁচজনের মধ্যে সোমবার একজন জেলাশাসকের দপ্তরে এসে নিজের ভুল স্বীকার করে এবং ক্ষমা চেয়ে অভিযোগ প্রত্যাহার করেছেন।












Leave a Reply