আবদুল হাই, বাঁকুড়াঃ পুলিশ সুপারের ও বেসরকারি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে শুরু হতে চলেছে সিভিক ভলেন্টিয়ার দের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার শেখানোর দায়িত্বে। সিভিক ভলেন্টিয়ারদের কোন নির্দিষ্ট সময় সূচি থাকবেনা কাজের ফাঁকে তাদের যখন সময় হবে তারা পড়াতে পারবে বা তারা যখনই সময় পাবে তখনই তারা ওই বই খাতা নিয়ে কচি কাচাদেরকে সঙ্গে নিয়ে পড়াশোনার কাজও চালিয়ে যাবেন।একথা জানিয়েছেন পুলিশ সুপার বৈভব তেওয়ারি তিনি আরও জানিয়েছে যে শিক্ষায় শিক্ষিত করছে মূলত এই উদ্দেশ্য। প্রধান লক্ষ্য মূলত জঙ্গলমহল ও আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা গুলিতে প্রধান লক্ষ্য এবং তাছাড়াও মুসলিম এলাকা গুলিতেও । পরীক্ষামূলকভাবে দেখা গেছে এই সকল এলাকার ছেলে মেয়েরা পড়াশোনায় অনেকটা তাই তাদের কে প্রথম সারিতে নিয়ে আসা এবং উচ্চ শিক্ষা শিক্ষিত করা প্রধান লক্ষ্য।প্রাথমিকভাবে পঠন-পাঠনের কাজ করতে চলেছেন। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তাছাড়াও সিভিক ভলেন্টিয়ার তো হয়েছে কখনো কখনো দেখা যাবে পুলিশ আধিকারিকদের এই উদ্দেশ্য সাফল্য পাচ্ছে যাদের জন্য পরিকল্পনা বা কর্মসূচি সংস্থাটির নাম দিয়েছেন অঙ্কুর এই অঙ্কুর কখন গাছের রূপান্তরিত হয়ে ওঠে, সেদিকে লক্ষ্য থাকবে আমাদেরও আর থাকবে পুলিশ সুপার বৈভব তেওয়ারি নজরেও।
পুলিশ সুপারের ও বেসরকারি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে শুরু হতে চলেছে সিভিক ভলেন্টিয়ার দের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার শেখানোর দায়িত্বে।












Leave a Reply