কোচবিহার, নিজস্ব সংবাদদাতা: এবার কমার্শিয়াল বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে জলকর ধার্য করবে কোচবিহার পৌরসভা। এদিন কোচবিহার পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া ঔষধের দোকানে চেয়ার করে ডাক্তার বসানো হয়। সেখান থেকে কর নেওয়া হবে না।
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, কমার্শিয়াল যে সব বিল্ডিং রয়েছে। সেই সব বিল্ডিংয়ে কর ধার্য করা হবে,তার মধ্যে রয়েছে হোটেল, রেস্তোরাঁ, হুক্কাবার,স্পা,মল, নার্সিংহোম, বিভিন্ন খাবারের দোকান এবং মিষ্টির দোকানে পৌরসভার জল নিলে বা রোলিং করে জল তুললে দুই ক্ষেত্রে কর দিতে হবে পৌরসভাকে। পৌরসভার হিসেবে কোচবিহার শহরে এই সংখ্যা প্রায় দুই হাজার পৌরসভা তরফে এর জন্য একটি কমিটিও তৈরি করা হচ্ছে খুব শীঘ্রই এই কমিটির সার্ভে করে তালিকা এবং করের হার ঠিক করবে। তারপর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়ে করের পরিমাণ জানানো হবে।
এদিন এবিষয়ে কোচবিহার পৌরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ জানান,,,,,, এই কর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকমের হবে কোন ক্ষেত্রে এই কর ৫০০ টাকা কোথাও আবার হাজার টাকা আবার কোথাও পাঁচ হাজার টাকা হতে পারে, এই কর প্রতি মাসে নেওয়া হবে। যদিও কোন হাউজ সোল্ডারের ক্ষেত্রে এই কর নেওয়া হবে না বলে চেয়ারম্যান জানিয়েছেন।
তবে শুধু জল করই নয়, এবার থেকে শহরের বিভিন্ন জায়গায় বা ঔষধের দোকানের চেম্বার করে চিকিৎসকরা রোগী দেখলে সংশ্লিষ্ট দোকানদার কেও করে দিতে হবে। রবিবাবু আরও বলেন, যে ডাক্তাররা বাড়িতে চেম্বার করে বা যেসব ঔষধের দোকানের চেম্বার খুলে ডাক্তার বসানো হয় সে ক্ষেত্রে কর দিতে হবে। আগের মাসে বোর্ড মিটিংয়ে রেজুলেশন করা হয়েছে যে বাৎসরিক ২০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। কিন্তু এদিনের বোর্ড মিটিংয়ে ঠিক করা হয়েছে, যদি একাধিক ডাক্তার বসেন সেক্ষেত্রে প্রথম চিকিৎসকের জন্য কুড়ি হাজার এবং তারপরে যতজন ডাক্তার বলবেন তাদের জন্য প্রতি বছর অর্থাৎ ১০০০ টাকা করে দিতে হবে।












Leave a Reply